ভৈরবকে পূর্ণাঙ্গ জেলা ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা বিভাগের অধীনে কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলাকে একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকালে ভৈরবের দূর্জয় মোড়ে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে ভৈরবের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী, ব্যবসায়ী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। ব্যানার-ফেস্টুনে লেখা ছিল-ভৈরবকে জেলা ঘোষণা করতে হবে ভৈরবের উন্নয়ন চাই, জেলা ঘোষণা এখন সময়ের দাবি ইত্যাদি শ্লোগান।
আয়োজকরা বলেন, দেশের অন্যতম বাণিজ্যিক ও শিল্পনগরী ভৈরব জনসংখ্যা, ভৌগোলিক অবস্থান ও অর্থনৈতিক দিক থেকে ইতোমধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ জেলার সব যোগ্যতা অর্জন করেছে। তবুও প্রশাসনিক স্বীকৃতি না পাওয়ায় নাগরিক সেবায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সমাজ সেবক এন কে সোহেল, যৌতুক বিরোধী আন্দোলনের মুখ্যক সমাজ সেবক জুম্মা খান নিয়াজী,গণ অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জের মুখ্য সংগঠক ইমতিয়াজ আহমেদ কাজল, ভৈরব চেম্বার অব কমাসের পরিচালক আরাফাত ভুইয়া, সাইফুর রহমান শাহরিয়ার, গোলাম মহিউদ্দিন প্রমূখ।
এসময় তারা বলেন, ভৈরবের জনসংখ্যা ৫ লাখের বেশি, এখানে রেল, সড়ক, নৌ—সব যোগাযোগ ব্যবস্থাই উন্নত। কিশোরগঞ্জ সদর থেকে এত দূরে থেকে প্রশাসনিক কাজ করা কষ্টকর। তাই এখন সময় এসেছে ভৈরবকে জেলা করার।
মানববন্ধনে আসা নেতারা বলেন, ভৈরব দেশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র। প্রতিদিন লাখো মানুষের লেনদেন হয় এখানে। অথচ প্রশাসনিক সেবা নিতে কিশোরগঞ্জে যেতে হয়। এটি একধরনের বঞ্চনা।
এ সময় বক্তারা আরও বলেন, জেলা হিসেবে ২০০৯ সালে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও অধ্যাবধি জেলা বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমান অন্তবর্তী সরকার জেলা বাস্তবায়ন না করলে কঠোর কর্মসুচী দেয়া হবে।
মানববন্ধনের আগে আয়োজকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ভৈরবকে জেলা ঘোষণার দাবি জানান এবং এই দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।










Leave a Reply