মো. শরীফুল আলম: তিন দশকের রাজনৈতিক পথচলা, মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্ক
নাজির আহমেদ আল-আমিন
কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব–কুলিয়ারচর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. শরীফুল আলম স্থানীয় রাজনীতিতে পরিচিত একটি নাম। প্রায় ৩০ বছর ধরে তিনি ভৈরব ও কুলিয়ারচরের রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন। দীর্ঘ এই সময়জুড়ে দলীয় রাজনীতি, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন গণআন্দোলনে অংশ নিয়ে এলাকায় নিজের একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করেছেন। তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থাবাজন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি।

বর্তমানে নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গণসংযোগ করছেন। বাজার, পাড়া-মহল্লা, গ্রাম, উঠান বৈঠক-সব জায়গায় গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন। অনেকেই তাকে দীর্ঘদিনের পরিচিত মানুষ হিসেবে দেখেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক, সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং সহজে কাছে পাওয়া যায়-এসব কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন।
ভৈরবের বাসিন্দারা বলেন, শরীফুল আলমকে আমরা নতুন করে চিনি না। তিনি বহু বছর ধরে এলাকার রাজনীতির সঙ্গে আছেন। প্রয়োজনে তাকে কাছে পাওয়া যায়।

কুলিয়ারচরের যুবক মো: আব্বাছ মিয়া নামে এক ভোটার বলেন, রাজনীতি করেছেন অনেক বছর। এখন দেখার বিষয়, তিনি নির্বাচিত হলে কতটা উন্নয়ন করতে পারেন।
স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ, দলীয় সংগঠন শক্তিশালী করা এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি দলের তৃণমূল পর্যায়েও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। দীর্ঘদিনের এই রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাই তার প্রচারণায় একটি বড় শক্তি হিসেবে কাজ করছে।

গণসংযোগকালে মো. শরীফুল আলম দৃশ্যপট নিউজকে বলেন, আমি প্রায় তিন দশক ধরে ভৈরব-কুলিয়ারচরের মানুষের সঙ্গে রাজনীতি করছি। মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়েই পথ চলেছি। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিক সুবিধা বাড়াতে অগ্রাধিকার দেব। মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করাই হবে আমার প্রধান দায়িত্ব।
এছাড়া আমি নির্বাচিত হলে ভৈরবের জন্য জগন্নাথপুর হতে মিন্দীপুর পর্যন্ত বেরিবাঁধ করে দেওয়া হবে। যা ভৈরব উপজেলাকে বন্দর নগরী হিসেবে আরও সমৃদ্ধি লাভ করবে।
দৃশ্যপট নিউজ /NA




